প্রেস বিজ্ঞপ্তি কওমি মাদরাসা সম্বন্ধে ব্যক্তিবিশেষের সুপারিশে আল-হাইআতুল উলয়ার প্রতিক্রিয়াগতকাল, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের স্থায়ী কমিটির সভায় কওমি মাদরাসা সম্বন্ধে সরকার বরাবর অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরীর সুপারিশকে এখতিয়ার বহির্ভূত বলে উল্লেখ করা হয়।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপসচিব মহোদয় স্বাক্ষরিত সভার নোটিশের মাধ্যমে গত ০৪ আগষ্ট ২০২২ তারিখ, বৃহস্পতিবার বিকেলে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান মহোদয় এবং স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ জানতে পারেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে আগামী ১০ আগষ্ট ২০২২ তারিখ, বুধবার সকাল ১১.০০ টায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত সভায় দুটি বিষয়ে আলোচনা হবে-- এক. ২০২১ সালে বি-বাড়িয়া জেলায় হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে সংঘটিত কার্যকলাপের বিষয়ে অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে প্রদত্ত সুপারিশের আলোকে পরবর্তী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ; দুই. ২৫ জুন ২০২২ তারিখে নায়েবে আমীর, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ প্রেরিত আবেদনপত্রে কওমি ধারার দীনী শিক্ষা ও শিক্ষকের মান উন্নয়নকল্পে উল্লিখিত ৮ সুপারিশের বিষয়ে করণীয় নির্ধারণ। আল-হাইআতুল উলয়ার মুহতারাম চেয়ারম্যান সাহেব, কো-চেয়ারম্যান মহোদয় এবং সম্মানিত সদস্যবৃন্দের অনুরোধে বিষয়টির গুরুত্ব ও স্পর্শকাতরতা অনুধাবন করে তাৎক্ষণিকভাবে শনিবার, ০৬ আগষ্ট ২০২২ তারিখে আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর স্থায়ী কমিটির জরুরি সভা আহ্বান করেন। আল-হাইআতুল উলয়ার মুহতারাম চেয়ারম্যান মুহিউসসুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে স্থায়ী কমিটির উক্ত সভায় ন্মিনবর্ণিত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় : ১. বি-বাড়িয়া জেলায় হেফাজতে ইসলামের নেতৃত্বে সংঘটিত কার্যকলাপের সঙ্গে আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের কোন সম্পৃক্ততা নেই। একইভাবে হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মিজানুর রহমান চৌধুরী, আল-হাইআতুল উলয়া ও ৬ বোর্ডের কেউ নন; তার প্রেরিত পত্রের সুপারিশমালা একান্তই তার ব্যক্তিগত, আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের এর সাথে কোন সম্পৃক্ততা নেই। ২. যেহেতু স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ আহূত ১০ আগষ্ট ২০২২ তারিখের আলোচ্য বিষয় দুটির সাথে আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের কোন সম্পৃক্ততা নেই, সেহেতু আগামী ১০ তারিখের সভায় অংশগ্রহণে ৬ বোর্ডের পক্ষ হতে অপারগতা প্রকাশ করা হয়।উল্লেখ্য, গতকাল সন্ধ্যায় স্থায়ী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আল-হাইআতুল উলয়ার ৬ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাত করেছেন এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের পত্র হস্তান্তর করেছেন। সাথে সাথে ১০ আগষ্টের সভায় অংশগ্রহণে আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের প্রতিনিধিগণের অপারগতার কথা জানিয়েছেন।স্থায়ী কমিটির সভায় এক প্রস্তাবে বলা হয়, কওমি মাদরাসার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা রক্ষা করে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে যে আইন (২০১৮ সনের ৪৮ নং আইন) পাস হয়েছে তা অক্ষুন্ন রাখতে উলামায়ে কেরাম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এর ব্যতিক্রম কিছু উলামায়ে কেরাম, কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণ এবং জাতীর কাছে কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই কওমি মাদরাসার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা অক্ষুন্ন রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয় এবং এ বিষয়ে মাদরাসার শিক্ষার্থী ও শিক্ষকগণকে কোন ধরনের অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। আল-হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির গতকালের সভায় উপস্থিত ছিলেন কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান, মাওলানা মুফতি রুহুল আমীন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা আব্দুল হামীদ (পীর সাহেব, মধুপুর), মাওলানা মুফতি আরশাদ রাহমানী, মাওলানা সুলতান যওকের প্রতিনিধি মাওলানা ফুরকানুল্লাহ খলীল, মাওলানা ওবায়দুল্লাহ হামজা, মাওলানা জিয়াউদ্দীনের প্রতিনিধি মাওলানা এনামুল হক, মাওলানা আব্দুল বছীর, মাওলানা ফরিদ উদ্দিন মাসউদের প্রতিনিধি মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আলী, মাওলানা আব্দুর রহমান হাফেজ্জী, মাওলানা মুফতি ফয়জুল্লাহ, মাওলানা মুছলেহুদ্দীন রাজু, মাওলানা আনাস মাদানী, মাওলানা মুশতাক আহমদ, মাওলানা উবায়দুর রহমান মাহবুব, মাওলানা নূরুল হুদা ফয়েজী, মাওলানা মুফতি নূরুল আমীন, মাওলানা মুফতি জসিমুদ্দীন, মাওলানা শামসুল হক, আল-হাইআতুল উলয়ার পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাওলানা মুহাম্মাদ ইসমাইল। বার্তাপ্রেরক,মুঃ অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook
শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি আব্দুল হালীম বুখারী (র) এর ইন্তেকালে আল-হাইআতুল উলয়ার নেতৃবৃন্দের শোকআজ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে আল-হাইআতুল উলয়ার অন্যতম সদস্য, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ এর মহাসচিব, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম মাদরাসার মহাপরিচালক, দেশের শীর্ষ আলেম, হযরত মাওলানা আব্দুল হালীম বুখারী (র.) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আল-হাইআতুল উলয়ার মুহতারাম চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম), কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম) এবং আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।দেশের সকল উলামায়ে কেরাম ও তালিবে ইলমদের প্রতি তাঁর মাগফিরাত ও রফয়ে দারাজাতের জন্য কুরআন খতম ও বিশেষ দু‘আর অনুরোধ জানানো হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে মাগফিরাত দান করুন এবং জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।বার্তা প্রেরক, মু. অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক, আল হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook
১৪৪৬-১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য ফজীলত ২য় বর্ষ ও সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়াতে ৬ বোর্ডের যে কোন বোর্ড হতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক১৬ বছরের পাঠ্যতালিকা প্রণয়নের কাজ চলছেনিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ড প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গত ২৬/১০/১৪৪৩ হিজরী, ২৮/০৫/২০২২ তারিখের নেসাব উপকমিটির সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। ১৪৪৪-১৪৪৫ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ডকে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ১। ছেলেদের নেসাবের ৬ (ছয়) টি মারহালা (স্তর) হবে, মোট শিক্ষাবর্ষ হবে ১৬; মেয়েদের নেসাবের ৫ (পাঁচ) টি মারহালা (স্তর) হবে, মোট শিক্ষাবর্ষ হবে ১৪। ছেলেদের মারহালাগুলোর নাম ও সময়কাল হবে নিম্নরূপ :১.১ الابتدائية (ইবতিদাইয়্যা [প্রাথমিক]) : ৬ বছর (শিশু শ্রেণিসহ); [৫ (পাঁচ) বছরের শিশুরা এ স্তরে ভর্তি হবে।]১.২ المتوسطة (মুতাওয়াস্সিতা [নিম্ন মাধ্যমিক]) : ৩ বছর।১.৩ الثانوية (সানাবিয়্যা [মাধ্যমিক]) : ২ বছর।১.৪ الثانوية العليا (সানাবিয়্যা উলইয়া [উচ্চ মাধ্যমিক]) : ২ বছর।১.৫ الفضيلة (ফযীলত [¯স্নাতক]) : ২ বছর।১.৬ دورة الحديث (التكميل) : ১ বছর। (দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) [¯স্নাতকোত্তর]) সর্বমোট = ১৬ বছর।মেয়েদের মারহালাগুলোর নাম ও সময়কাল হবে নিম্নরূপ : ২.১ الابتدائية (ইবতিদাইয়্যা [প্রাথমিক]) : ৬ বছর (শিশু শ্রেণিসহ); [৫ (পাঁচ) বছরের শিশুরা এ স্তরে ভর্তি হবে।] ২.২ المتوسطة (মুতাওয়াস্সিতা [নিম্ন মাধ্যমিক]): ২ বছর। ২.৩ الثانوية (সানাবিয়্যা [মাধ্যমিক]) : ৩ বছর। ২.৪ الفضيلة (ফযীলত [¯স্নাতক]) : ২ বছর। ২.৫ دورة الحديث (التكميل) : ১ বছর। (দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) [¯স্নাতকোত্তর]) সর্বমোট = ১৪ বছর।৬ মারহালার শ্রেণিগুলোর নাম নিম্নরূপ: ১ম মারহালা (স্তর) : الابتدائية (প্রাথমিক) ১.১ روضة الأطفال : রওজাতুল আতফাল (শিশু শ্রেণি); ১.২ الابتدائية الأولى : ইবতিদাইয়্যা ১ম শ্রেণি১.৩ الابتدائية الثانية : ইবতিদাইয়্যা ২য় শ্রেণি১.৪ الابتدائية الثالثة : ইবতিদাইয়্যা ৩য় শ্রেণি১.৫ الابتدائية الرابعة : ইবতিদাইয়্যা ৪র্থ শ্রেণি১.৬ الابتدائية الخامسة : ইবতিদাইয়্যা ৫ম শ্রেণি ২য় মারহালা (স্তর) : المتوسطة (নিম্ন মাধ্যমিক) ২.১ المتوسطة الأولى : মুতাওয়াস্সিতা ১ম ২.২ المتوسطة الثانية : মুতাওয়াস্সিতা ২য় ২.৩ المتوسطة الثالثة : মুতাওয়াস্সিতা ৩য় ৩য় মারহালা (স্তর) : الثانوية (মাধ্যমিক) ৩.১ الثانوية الأولى : সানাবিয়্যা ১ম ৩.২ الثانوية الثانية : সানাবিয়্যা ২য় ৪র্থ মারহালা (স্তর) : الثانوية العليا (মাধ্যমিক) ৪.১ الثانوية العليا الأولى : সানাবিয়্যা উলইয়া ১ম ৪.২ الثانوية العليا الثانية : সানাবিয়্যা উলইয়া ২য় ৫ম মারহালা (স্তর) : الفضيلة(¯স্নাতক) ৫.১ الفضيلة الأولى : ফযীলত ১ম বর্ষ৫.২ الفضيلة الثانية : ফযীলত ২য় বর্ষ৬ষ্ঠ মারহালা (স্তর) : دورة الحديث (التكميل) (¯স্নাতকোত্তর) ৬.১ دورة الحديث (التكميل) : দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)২। (ক) ৬ষ্ঠ মারহালার পাঠ্যবিষয় (ফন) হাদীস; পাঠ্যকিতাব নিম্নবর্ণিত ১০টি: বুখারী শরীফ-১, বুখারী শরীফ-২, মুসলিম শরীফ-১, মুসলিম শরীফ-২, তিরমিযী শরীফ-১, তিরমিযী শরীফ-২ ও শামায়েলে তিরমিযী, আবু দাউদ শরীফ, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ শরীফ, তাহাবী শরীফ এবং মুওয়াত্তায়ে ইমাম মালিক ও মুওয়াত্তায়ে ইমাম মুহাম্মদ। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের কেরাতের পরীক্ষা হবে।(খ) ৫ম মারহালার ফযীলত ২য় বর্ষে ৮০০ নম্বরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা হবে। বুনিয়াদি ফন (পাঠ্যবিষয়) ৫টি। যথা- ১। হাদীস ২। উসূলে হাদীস ৩। তাফসীর ৪। ফিকহ ৫। আকায়িদ। বুনিয়াদি কিতাব ৫টি। যথা- ১। মিশকাত-১, ২। মিশকাত-২, ৩। শরহে নুখবাতুল ফিকার ৪। হেদায়া রাবে‘ ৫। শরহে আকায়িদ। অবশিষ্ট দুই কিতাব হিদায়া সালিস ও বায়যাবী শরীফের ব্যাপারেও সকলে নীতিগত ঐক্যমত পোষণ করেন।৩। ১৪৪৬-১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য ফযীলত সানিয়া এবং সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়াাতে ৬ বোর্ডের যে কোন বোর্ড হতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামলূক হবে।১৬ বছরের পাঠ্যতালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। যথাসময়ে জানানো হবে, ইন-শা-আল্লাহ।চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,মু. অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক,আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook