শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি আব্দুল হালীম বুখারী (র) এর ইন্তেকালে আল-হাইআতুল উলয়ার নেতৃবৃন্দের শোকআজ সকাল ১০টা ৪ মিনিটে আল-হাইআতুল উলয়ার অন্যতম সদস্য, আঞ্জুমানে ইত্তেহাদুল মাদারিস বাংলাদেশ এর মহাসচিব, আল জামিয়া আল ইসলামিয়া পটিয়া, চট্টগ্রাম মাদরাসার মহাপরিচালক, দেশের শীর্ষ আলেম, হযরত মাওলানা আব্দুল হালীম বুখারী (র.) ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিঊন। তাঁর ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন আল-হাইআতুল উলয়ার মুহতারাম চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসান সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম), কো-চেয়ারম্যান আল্লামা শেখ সাজিদুর রহমান সাহেব (দামাত বারাকাতুহুম) এবং আল-হাইআতুল উলয়ার অধীন ৬ বোর্ডের নেতৃবৃন্দ।দেশের সকল উলামায়ে কেরাম ও তালিবে ইলমদের প্রতি তাঁর মাগফিরাত ও রফয়ে দারাজাতের জন্য কুরআন খতম ও বিশেষ দু‘আর অনুরোধ জানানো হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে মাগফিরাত দান করুন এবং জান্নাতে উচ্চ মাকাম দান করুন। আমীন।বার্তা প্রেরক, মু. অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক, আল হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook
১৪৪৬-১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য ফজীলত ২য় বর্ষ ও সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়াতে ৬ বোর্ডের যে কোন বোর্ড হতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক১৬ বছরের পাঠ্যতালিকা প্রণয়নের কাজ চলছেনিম্নবর্ণিত বিষয়গুলো আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ড প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এবং চেয়ারম্যান মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গত ২৬/১০/১৪৪৩ হিজরী, ২৮/০৫/২০২২ তারিখের নেসাব উপকমিটির সভায় সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়। ১৪৪৪-১৪৪৫ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে বিষয়গুলো বাস্তবায়নের জন্য আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ এর অধীন ৬ বোর্ডকে আশু পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ১। ছেলেদের নেসাবের ৬ (ছয়) টি মারহালা (স্তর) হবে, মোট শিক্ষাবর্ষ হবে ১৬; মেয়েদের নেসাবের ৫ (পাঁচ) টি মারহালা (স্তর) হবে, মোট শিক্ষাবর্ষ হবে ১৪। ছেলেদের মারহালাগুলোর নাম ও সময়কাল হবে নিম্নরূপ :১.১ الابتدائية (ইবতিদাইয়্যা [প্রাথমিক]) : ৬ বছর (শিশু শ্রেণিসহ); [৫ (পাঁচ) বছরের শিশুরা এ স্তরে ভর্তি হবে।]১.২ المتوسطة (মুতাওয়াস্সিতা [নিম্ন মাধ্যমিক]) : ৩ বছর।১.৩ الثانوية (সানাবিয়্যা [মাধ্যমিক]) : ২ বছর।১.৪ الثانوية العليا (সানাবিয়্যা উলইয়া [উচ্চ মাধ্যমিক]) : ২ বছর।১.৫ الفضيلة (ফযীলত [¯স্নাতক]) : ২ বছর।১.৬ دورة الحديث (التكميل) : ১ বছর। (দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) [¯স্নাতকোত্তর]) সর্বমোট = ১৬ বছর।মেয়েদের মারহালাগুলোর নাম ও সময়কাল হবে নিম্নরূপ : ২.১ الابتدائية (ইবতিদাইয়্যা [প্রাথমিক]) : ৬ বছর (শিশু শ্রেণিসহ); [৫ (পাঁচ) বছরের শিশুরা এ স্তরে ভর্তি হবে।] ২.২ المتوسطة (মুতাওয়াস্সিতা [নিম্ন মাধ্যমিক]): ২ বছর। ২.৩ الثانوية (সানাবিয়্যা [মাধ্যমিক]) : ৩ বছর। ২.৪ الفضيلة (ফযীলত [¯স্নাতক]) : ২ বছর। ২.৫ دورة الحديث (التكميل) : ১ বছর। (দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) [¯স্নাতকোত্তর]) সর্বমোট = ১৪ বছর।৬ মারহালার শ্রেণিগুলোর নাম নিম্নরূপ: ১ম মারহালা (স্তর) : الابتدائية (প্রাথমিক) ১.১ روضة الأطفال : রওজাতুল আতফাল (শিশু শ্রেণি); ১.২ الابتدائية الأولى : ইবতিদাইয়্যা ১ম শ্রেণি১.৩ الابتدائية الثانية : ইবতিদাইয়্যা ২য় শ্রেণি১.৪ الابتدائية الثالثة : ইবতিদাইয়্যা ৩য় শ্রেণি১.৫ الابتدائية الرابعة : ইবতিদাইয়্যা ৪র্থ শ্রেণি১.৬ الابتدائية الخامسة : ইবতিদাইয়্যা ৫ম শ্রেণি ২য় মারহালা (স্তর) : المتوسطة (নিম্ন মাধ্যমিক) ২.১ المتوسطة الأولى : মুতাওয়াস্সিতা ১ম ২.২ المتوسطة الثانية : মুতাওয়াস্সিতা ২য় ২.৩ المتوسطة الثالثة : মুতাওয়াস্সিতা ৩য় ৩য় মারহালা (স্তর) : الثانوية (মাধ্যমিক) ৩.১ الثانوية الأولى : সানাবিয়্যা ১ম ৩.২ الثانوية الثانية : সানাবিয়্যা ২য় ৪র্থ মারহালা (স্তর) : الثانوية العليا (মাধ্যমিক) ৪.১ الثانوية العليا الأولى : সানাবিয়্যা উলইয়া ১ম ৪.২ الثانوية العليا الثانية : সানাবিয়্যা উলইয়া ২য় ৫ম মারহালা (স্তর) : الفضيلة(¯স্নাতক) ৫.১ الفضيلة الأولى : ফযীলত ১ম বর্ষ৫.২ الفضيلة الثانية : ফযীলত ২য় বর্ষ৬ষ্ঠ মারহালা (স্তর) : دورة الحديث (التكميل) (¯স্নাতকোত্তর) ৬.১ دورة الحديث (التكميل) : দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল)২। (ক) ৬ষ্ঠ মারহালার পাঠ্যবিষয় (ফন) হাদীস; পাঠ্যকিতাব নিম্নবর্ণিত ১০টি: বুখারী শরীফ-১, বুখারী শরীফ-২, মুসলিম শরীফ-১, মুসলিম শরীফ-২, তিরমিযী শরীফ-১, তিরমিযী শরীফ-২ ও শামায়েলে তিরমিযী, আবু দাউদ শরীফ, নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ শরীফ, তাহাবী শরীফ এবং মুওয়াত্তায়ে ইমাম মালিক ও মুওয়াত্তায়ে ইমাম মুহাম্মদ। এ ছাড়া ১০০ নম্বরের কেরাতের পরীক্ষা হবে।(খ) ৫ম মারহালার ফযীলত ২য় বর্ষে ৮০০ নম্বরের কেন্দ্রীয় পরীক্ষা হবে। বুনিয়াদি ফন (পাঠ্যবিষয়) ৫টি। যথা- ১। হাদীস ২। উসূলে হাদীস ৩। তাফসীর ৪। ফিকহ ৫। আকায়িদ। বুনিয়াদি কিতাব ৫টি। যথা- ১। মিশকাত-১, ২। মিশকাত-২, ৩। শরহে নুখবাতুল ফিকার ৪। হেদায়া রাবে‘ ৫। শরহে আকায়িদ। অবশিষ্ট দুই কিতাব হিদায়া সালিস ও বায়যাবী শরীফের ব্যাপারেও সকলে নীতিগত ঐক্যমত পোষণ করেন।৩। ১৪৪৬-১৪৪৭ হিজরী শিক্ষাবর্ষ থেকে দাওরায়ে হাদীস (তাকমীল) পরীক্ষার নিবন্ধনের জন্য ফযীলত সানিয়া এবং সানাবিয়্যা উলইয়া সানিয়াাতে ৬ বোর্ডের যে কোন বোর্ড হতে উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামলূক হবে।১৬ বছরের পাঠ্যতালিকা প্রণয়নের কাজ চলছে। যথাসময়ে জানানো হবে, ইন-শা-আল্লাহ।চেয়ারম্যান মহোদয়ের আদেশক্রমে,মু. অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক,আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook
মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স.) সম্পর্কে বিজেপি নেতাদের কটুক্তি বরদাশত করা হবে নামহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তাঁর পবিত্র সহধর্মীনী হযরত আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) সম্পর্কে ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপির দুই নেতার কটুক্তির তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান বাংলাদেশের কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ অথরিটি আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান, বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশ-এর সভাপতি, মজলিসে দাওয়াতুল হক বাংলাদেশ-এর আমীর ও যাত্রাবাড়ি মাদরাসার মুহতামিম মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমুদুল হাসান। আজ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, মোদী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ভারতে মুসলিম বিদ্বেষী নীতি অনুসরণ করছে এবং সহিংসতাকে উস্কে দিচ্ছে। ভারত মোদী সরকারের অধীনে ধর্মীয় স্বাধীনতাকে পদদলিত করছে এবং মুসলিমদের নিপীড়ন করছে। মুসলিম বিশ্বের এ জন্য ভারতকে কঠোরভাবে জবাব দেওয়াই ন্যায়সঙ্গত।তিনি আরও বলেন, নবী করিম (সা.)-এর অবমাননাকারীর শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। এ ব্যাপারে উম্মতের ইজমা (ঐকমত্য) প্রতিষ্ঠিত আছে। মহানবীর সহধর্মীনী হযরত আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) এর পবিত্রতা পবিত্র কুরআনের সূরা নূরে স্বয়ং আল্লাহ ঘোষণা করেছেন। যে ব্যক্তি নবী (সা.)-এর শানে বেয়াদবি করবে, সমালোচনা করবে, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করবে, সে সাধারণ অপরাধী নয়, সে তো বিশ্বমানবতার শান্তির দূত রাহমাতুললিল আলামিনের সঙ্গে বেয়াদবি করেছে, যা গোটা মানবতার বিরুদ্ধে যুদ্ধের শামিল। তাই তার অপরাধ ক্ষমাযোগ্য নয়। আল্লামা ইবনে তাইমিয়া (রহ.) বলেন, ইসলামী আইনে মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননাকারী কাফির এবং তার শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। আল্লামা ইবনে মুনজির (রহ.) বলেন, সর্বস্তরের উলামায়ে কেরামের ঐকমত্য হল, ইসলামে নবী করিম সাল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অবমাননাকারীর শাস্তি একমাত্র মৃত্যুদণ্ড। খুলাসাতুল ফতাওয়া গ্রন্থে আছে, যদি কোনো ব্যক্তি নবী করিম (সা.)-কে গালি দেয় বা নবী করিম (সা.)-এর ধর্মীয় কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে বা তাঁর ব্যক্তিত্ব নিয়ে সমালোচনা করে, তাঁর কোনো বৈশিষ্ট্য নিয়ে দোষ চর্চা করে, সে ব্যক্তি নবীর উম্মত হোক বা অন্য কোনো নবীর উম্মত, মুসলিম রাষ্ট্রে আশ্রিত কাফের হোক বা শত্রু কাফের, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ, গালি, অবমাননাকর মন্তব্য বা বক্তব্য প্রদান ইচ্ছাকৃতভাবে হোক বা অনিচ্ছায়, বুঝে-শুনে হোক বা অসাবধানতাবশত, সর্বাবস্থায় তার এ অপরাধ ক্ষমার অযোগ্য বলে ধার্য হবে দুনিয়াতেও, আখিরাতেও।মুহিউস সুন্নাহ আল্লামা মাহমূদুল হাসান বলেন, পৃথিবীর যেকোনো ভূখণ্ডে শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার স্বার্থে মুসলমানদের ধর্ম, ধর্মীয় গ্রন্থ, তাদের নবী ও সাহাবিদের সম্মান রক্ষার্থে কঠোর আইন অত্যাবশ্যক। অন্যথায় কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটালে মুসলমানরা রাগে, দুঃখে, ক্ষোভে ও ক্রোধে ফেটে পড়বে। শুরু হবে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা-হাঙ্গামা। সূত্রপাত ঘটবে মারামারি হানাহানির মত ঘটনার। বিপর্যস্ত হবে মানবতা, ডেকে আনবে ভয়াবহ বিপর্যয়। তাই এটা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।তিনি আরো বলেন, নবীজীর ভালবাসায় মুসলিমরা জীবন পর্যন্ত কোরবানি করতে পারে। প্রিয় নবীকে নিয়ে কটুক্তি কোন মুসলিম মেনে নিতে পারে না। মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের প্রাণের চেয়েও বেশি প্রিয়। প্রিয় নবীর অপমান কোন মুসলিম সইতে পারে না। যারা এহেন জঘন্য অপরাধের সাথে জড়িত, ভারত সরকারের উচিত হবে তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা, যেন ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ করার দুঃসাহস কেউ দেখাতে না পারে। বাংলাদেশের উলামায়ে কেরাম ও সর্বস্তরের মুসলমানদের পক্ষ থেকে আমি ভারত সরকারের প্রতি এ আহ্বান জানাই। বার্তাপ্রেরক,মু. অছিউর রহমান,অফিস ব্যবস্থাপক, আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ ... বাকিটা পড়ুনবন্ধ করুন
View on Facebook